বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৬, ২০২৬
spot_img
spot_img
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

বিচার ও সংস্কারকে মুখোমুখি দাঁড় করানো ভয়াবহ হবে: সাকি

অনেকে বিচার ও সংস্কারকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে, এটা ভয়াবহ হবে বলে মন্তব্যে করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।

শুক্রবার (৮ আগস্ট) দুপুরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে ‘দ্রুত বিচার সম্পন্ন, মৌলিক সংস্কার ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এই মন্তব্য করেন তিনি। অগ্নিসেনা স্যোসাল ফাউন্ডেশন ও আমাদের নতুন বাংলাদেশ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘আমরা দেশের ইতিহাসে একটি ক্রান্তিলগ্নে রয়েছি। মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ সালে শেষ হয়নি। মুক্তি সংগ্রাম চলমান। যতক্ষণ মানুষের ওপর শৃঙ্খল থাকবে ততদিন মুক্তির সংগ্রাম থাকবে। গণতন্ত্র হবে আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থা। কিন্তু সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘একদলীয় শাসন, গণতন্ত্র হত্যা, ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা আমরা দেখেছি। যে দলটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার দাবি করল, তারপর নিজেই তা বাতিল করে দিল। যারাই ক্ষমতায় যায় তারাই স্বৈরাচারী হয়ে ওঠে। শেখ হাসিনা এটাকে সর্বোচ্চ শিখরে নিয়ে গেছে। ক্ষমতাকে পকেটে পুরে নেয়। তারা মানুষকে বিভাজিত করে নানা ট্যাগিং দিয়ে মানুষকে চিহ্নিত করেছে।’

সংবিধান ও গণতন্ত্র যদি জনবান্ধব করা না যায়, তাহলে জনগণ উপকৃত হবে না উল্লেখ করে সাকি বলেন, ‘আমাদের নতুন সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা দরকার। এটা আমরা আগেও বলেছিলাম। রাতের নির্বাচন আগে কখনো ঘটেনি। বিরোধী দলের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এটা হওয়ার কথা ছিল না। তাদের তো জিতার কথা ছিল।’

শুধ সরকার না, রাষ্ট্র ব্যবস্থাও বদলাতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, ‘ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি করতে হবে। যেখানে জবাবদিহিতা থাকবে।’

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় উল্লেখ করে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী বলেন, ‘যদি আমরা নিজেদের বদলাতে না পারি তাহলে ভবিষ্যতে আর কেউ প্রাসঙ্গিক থাকবে না। দখল আর গায়ের জোরের রাজনীতি চলবে না। অভ্যুত্থান এখানে সীমারেখা টেনে দিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিচার ও সংস্কারকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছেন অনেকে। এটা ভয়াবহ হবে। বিচার ও সংস্কার দুটোই দরকার। রাষ্ট্রের ধারণা ও ন্যায় বিচারের সঙ্গে যুক্ত এমন সবকিছুর বিচার করতে হবে। এই বিচারের ধারাবাহিকতা যদি পরবর্তী সরকার পর্যন্ত না থাকে তাহলে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

নির্বাচন সংস্কার সম্পন্ন করার জন্য অপরিহার্য মন্তব্য করে সাকি বলেন, ‘কোনো নেতৃত্ব গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না। এটা সবার সম্মিলিত। সংস্কারের জন্য সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন লাগবে।’

এডিটরস প্যানেল/দিশা

আরো সংবাদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

জনপ্রিয় সংবাদ

Recent Comments