বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৫, ২০২৬
spot_img
spot_img
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

সারাদেশে সার ডিলার নিয়োগ

দলীয়করণ ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের দাবি জামায়াতের

দীর্ঘদিনের সার ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মী, সংসদ সদস্যদের স্ত্রী, সন্তান, ভাই ও আত্মীয়স্বজনকে ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে। দেশে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ তুলে তদন্ত এবং দায়ীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। কোথাও কোথাও দলীয় প্যাডে দেওয়া তালিকা অনুযায়ী ডিলার নিয়োগ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে দলটি।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এসব অভিযোগ তোলেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, দেশে সংকটের কোনো অন্ত নেই। যেখানেই ধরতে যাওয়া হয়, সেখানেই সংকট। যখন কোনো বিষয় জাতির কাছে একেবারেই অপরিহার্য ও অনিবার্য হয়ে ওঠে, তখন কথা না বললেই নয়। রাজনৈতিকভাবে সভা-সমাবেশে বক্তব্য ও বিবৃতির মাধ্যমে তারা এসব বিষয় তুলে ধরেন। বিশেষ করে দেশে সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ নিয়ে চরম অব্যবস্থাপনা এবং দলীয়করণ সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এতে জনগণের চরম ভোগান্তি ও ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে এবং এর প্রভাব পড়ছে কৃষি, প্রশাসনের নৈতিকতা ও সাধারণ নাগরিকদের ওপর।

সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণে অনিয়ম, দুর্নীতি এবং নৈরাজ্যের অভিযোগ তুলে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সার আমদানি, উৎপাদন, বিতরণ, ব্যবহার ও ডিলার নিয়োগের বিষয়ে নির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে প্রণীত রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬ এবং এর অধীন অ্যালোকেশন অব বিজনেস অনুযায়ী সারসংক্রান্ত বিষয় কৃষি মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত। আগে একাধিকবার নীতিমালা প্রণয়ন ও সংশোধন করা হয়েছে। ২০২৫ ও ২০২৬ সালেও এ বিষয়ে নীতিমালা ছিল। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে আবার সেই নীতিমালা সংশোধন করেছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত সারসংক্রান্ত বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের বক্তব্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার অভিযোগ, এক মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে অন্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির বক্তব্য এবং হস্তক্ষেপের কারণে দায়িত্বের সীমা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। ক্ষমতাসীন দলের মধ্যে সব কাজের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার মানসিকতা তৈরি হয়েছে। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, পার্লামেন্টকে কেন্দ্র করে সংবিধান সংশোধনের নামে কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী সাংবিধানিক কাঠামো তৈরির চেষ্টা চলছে। এর লক্ষ্য আজীবন ক্ষমতায় থাকার চিন্তাকে এগিয়ে নেওয়া। ক্ষমতাসীনদের এই সর্বনাশা ও অপরিণামদর্শী পথ থেকে ফিরে আসার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ৯ নভেম্বর সংসদ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। এখনো আলোচনার সুযোগ রয়েছে। সংসদ বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকট এবং জনদুর্ভোগ নিরসনের আলোচনার জায়গা। এসব বিতর্ক রাজপথে ঠেলে না দিয়ে সংসদে নিষ্পত্তি করা উচিত। দেশের সার, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটের কথা তুলে ধরে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে দ্রব্যমূল্য বাড়ছে। পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় নগরজীবন, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা এবং প্রান্তিক কৃষকদের ওপর নেতিবাচক অর্থনৈতিক প্রভাব পড়ছে।

সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক প্রভাব ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তদন্তের জন্য সরকারের কাছে ৬ দফা দাবি তুলে ধরেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। দাবিগুলো হলো- ১. সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক প্রভাব ও আর্থিক লেনদেনের যেসব অভিযোগ গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসেছে, সরকারকে অবিলম্বে সেগুলোর তদন্ত করতে হবে। তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাদের উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনতে হবে। ২. নিয়োগ পাওয়া ডিলারদের যোগ্যতা মূল্যায়নের মানদণ্ড, তালিকা প্রণয়নের প্রক্রিয়া এবং লাইসেন্স দেওয়ার ভিত্তি জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। ৩. ডিলারশিপ পাইয়ে দেওয়ার নামে যাদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য ও অর্থের পরিমাণ তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

৪. সারের কৃত্রিম সংকট নিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য এবং জামায়াত ও বিএনপির সংসদ সদস্যদের এলাকার সারসংকট সম্পর্কে দেওয়া তথ্য প্রকাশ করতে হবে। প্রতিমন্ত্রী কেন এ বিষয়ে অসত্য তথ্য দিয়েছেন, তা-ও স্পষ্ট করতে হবে। ৫. সার ডিলার নিয়োগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষকে অভিযোগগুলোর বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে এবং তদন্তের অগ্রগতি জনগণকে জানাতে হবে। ৬. কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণের ভিত্তিতে যাচাই করতে হবে। ভিত্তিহীন অভিযোগ বা রাজনৈতিক বক্তব্যের মাধ্যমে কাউকে দায়ী করা যাবে না।

আরো সংবাদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

জনপ্রিয় সংবাদ

Recent Comments