রবিবার, অক্টোবর ১৮, ২০২৬
spot_img
spot_img
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে বিএনপি সরকার: জামায়াত আমীর

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের পথেই বিএনপি সরকার হাঁটছে বলে মন্তব্য করেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ক্ষমতায় বসে গত ৭ মাসে রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে বিএনপি সরকার। দেশের উন্নয়নকাজে এতদিন তাদের সহযোগিতা করার কথা ভেবেছিল বিরোধী দল। কিন্তু বিরোধী দলের সহযোগিতা নিতে ব্যর্থ হয়েছে তারা। এ সরকার আগের স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে। তাই এখন থেকে ১৮ কোটি মানুষকে আমরা সহযোগিতা করবো।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত মুক্ত আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘জুলাই সনদের প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশার এক বছর সালতামামি’ শীর্ষক এ আয়োজন করে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি।

বিএনপি রাতারাতি অতীত ভুলে গেছে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুর পর্যন্ত বিএনপি আমাদের মতোই একটি দল ছিল। এরপর থেকেই রাতারাতি নিজেদের অতীত ভুলে গেছে দলটি। আমাদের কিছু কিছু বিষয়ে ভিন্নমত থাকলেও গণভোটের ব্যাপারে কোনো ভিন্নতা ছিল না তাদের। আমরা চেয়েছিলাম গণভোট আগে হোক, তাহলে এটি অনিশ্চয়তায় পড়বে না। কিন্তু তারা এটি চায়নি। বরং জোর করে একই দিনে করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। তাদের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট হলো।

তিনি বলেন, বিএনপির এমপিরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন। কিন্তু সংসদ পরিষদের সদস্য হিসেবে নেননি। উল্টো জাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও বিশ্বাসঘাতকতার ধারা অব্যাহত রেখেছেন তারা। এখন ইনিয়ে-বিনিয়ে বলার চেষ্টা করছেন যে, ভোটের মাধ্যমে সরকার গঠন করে ৫ বছর চালানোর জন্য বসিয়েছে এ জাতি। তবে বিএনপি দুটি ভোটের মূল্যায়ন করলে আমাদের আর সংসদের বাইরে আন্দোলন করার প্রয়োজন হতো না। তারাই বিরোধীদলকে আন্দোলনের পথে ঠেলে দিয়েছে।

বিরোধীদলের কোনো এমপি বরাদ্দ দেওয়া হয়নি জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, এরই মধ্যে সরকারি দলের এমপিদের ২০৮ আসনে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিরোধীদলের একজন এমপিকেও দেওয়া হয়নি। অথচ আমরা ভেবেছি চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বস্তাপচা রাজনীতির কবর রচিত হয়ে নতুন রাজনীতির জন্ম হবে। এটিই জনগণের প্রত্যাশা ছিল। তবে দেশকে আবারও সেই দিকেই টেনে নেওয়া হলো।

নব্য ফ্যাসিবাদের পতন হবে জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ইনিয়ে-বিনিয়ে বহু লোভ-লালসা আমাদের দেখানো হয়েছে। আমরা সেসবের দিকে ফিরেও তাকাই না। ঘৃণা করে প্রত্যাখ্যান করছি। অতএব বিরোধী দল হিমালয় পর্বতের মতো অটল থেকে লক্ষ্যপানে এগিয়ে যাবে। চব্বিশের অভ্যুত্থান আমাদের জন্য শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা। আর এ পথ ধরেই আমরা এগিয়ে যাবো।

রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্ষমতায় বসে গত সাত মাসে রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে বিএনপি। আগের স্বৈরাচার যে পথে হেঁটেছিল, হুবহু একই রাস্তা ধরে এই সরকার হাঁটছে। তাহলে এখন বিরোধীদল কি গালে আঙুল দিয়ে বসে থাকবে।

আরো সংবাদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

জনপ্রিয় সংবাদ

Recent Comments