ভারত এবং পাকিস্তান বেশ জোরেশোরেই লিপ্ত হয়েছে সংঘাতে। বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (৬ মে) দিবাগত রাতে পাকিস্তানের ৯ জায়গায় ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে মিসাইল হামলা চালিয়েছে ভারত। পাকিস্তানের পক্ষ থেকেও পাল্টা প্রতিঘাত এসেছে। দাবি করা হয়েছে, ভারতের ৫টি যুদ্ধবিমান ভূপতিত করেছে পাকিস্তান। আর ভারতের হামলায় প্রায় ৩০ জন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
দুই দেশের মধ্যেকার এই উত্তেজনার মাঝে দেখা দিয়েছে অন্য এক দুশ্চিন্তা। দুই দেশেই বর্তমানে চলছে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের ব্যস্ততা। আইপিএল এবং পিএসএলে যুক্ত আছেন বিভিন্ন দেশের একঝাঁক ক্রিকেটার। এদের মধ্যে পিএসএল প্রায় শেষের দিকে এগিয়ে গেলেও আইপিএলে এখন পর্যন্ত অনেকটা পথ বাকি। অবশিষ্ট ম্যাচগুলোর মধ্যে একাধিক ম্যাচই আছে ভারত সরকারের ঘোষিত ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে। বেশকিছু ম্যাচ আবার আয়োজিত হবে এমন শহরে যেখানে বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

শঙ্কা জেগেছে আইপিএলের অবশিষ্ট খেলা নিয়েও। পরিস্থিতি আরো বেশি জটিল হলে ভেন্যু বদল করা হতে পারে। এর আগে ২০০৯ সালে পুরো আসরই সরিয়ে নেয়া হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়। আবার ২০১৪ সালে নির্বাচনের সময়ে নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় এনে টুর্নামেন্টের একটা বড় অংশ ভারত থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। আর এবারের আসরে কোন ভেন্যু বদল হবে কিনা সেটি এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।
যেসব ম্যাচ নিয়ে শঙ্কা: ৯ তারিখে উত্তরপ্রদেশে আছে লখনৌ এবং ব্যাঙ্গালুরুর ম্যাচ। সেখানে বর্তমানে চলছে রেড অ্যালার্ট। ধর্মশালায় ১১ তারিখে আছে পাঞ্জাব কিংস বনাম মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচ। হিমাচল প্রদেশসহ উত্তর ভারতে বর্তমানে চলছে বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা। এই ম্যাচ নিয়েও আছে শঙ্কা। ১৪ মে রাজধানী শহর দিল্লিতে মুখোমুখি হবে লখনৌ সুপার জায়ান্টস এবং দিল্লি ক্যাপিটালস। রাজধানী বলে আলাদা সতর্কতা থাকছে এই ম্যাচ নিয়ে। এ ছাড়াও ১৮ মে, চলতি আইপিএলের শেষ ম্যাচ হবে লখনৌতে। হায়দ্রাবাদ এবং লখনৌর এই ম্যাচটিও থাকছে রেড অ্যালার্ট জোনের মধ্যেই।
এমন পরিস্থিতিতে লখনৌ অঞ্চলের দুই ম্যাচ নিয়েই শঙ্কা সবচেয়ে বেশি। উত্তর প্রদেশের ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশ এরই মাঝে স্টেডিয়ামসহ জন গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তার কথা জানিয়ে রেখেছেন। এ ছাড়া ভারতীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশটিতে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
Editor’s Panel/Nasir


