শুক্রবার, জুলাই ১৭, ২০২৬
spot_img
spot_img
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার -- Test Transmission -- পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

গাজায় ইসরাইলি বর্বরতায় নিহত ১১৬

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি লাগাতার হামলায় আরও ১১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৩৮ জন নিহত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের (জিএইচএফ) সহায়তা কেন্দ্রের সামনে গুলিবিদ্ধ হয়ে।

রোববার (২০ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ইসরায়েলের মানবিক সহায়তা বন্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত বিতর্কিত ত্রাণ কেন্দ্রগুলোতে ক্ষুধার্ত মানুষের ওপর গুলি চালানোর মধ্যেই গাজায় আবারও একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। সেখানে মাত্র ৩৫ দিন বয়সী এক নবজাতক অনাহারে মারা গেছে।

শনিবার গাজা সিটির আল-শিফা হাসপাতালে শিশুটির মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ডা. মুহাম্মদ আবু সালমিয়া। তিনি বলেন, “অপুষ্টি বা অপর্যাপ্ত খাদ্যগ্রহণে মৃতদের মধ্যে এই নবজাতকও রয়েছে। এদিন অন্তত দুজন ব্যক্তি অনাহারে মারা যান আমাদের হাসপাতালে।”

এই ঘটনাগুলো ঘটেছে এমন এক সময় যখন গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, “হাসপাতালের জরুরি বিভাগগুলো খাবারের অভাবে কাতর হাজার হাজার মানুষের ভিড়ে উপচে পড়ছে। অন্তত ১৭ হাজার শিশু মারাত্মক অপুষ্টিতে ভুগছে।”

এদিকে ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার হামলায় শনিবার ভোর থেকে গাজা উপত্যকার বিভিন্ন অংশে কমপক্ষে ১১৬ জন নিহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে ৩৮ জন নিহত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের (জিএইচএফ) সহায়তা কেন্দ্রের সামনে গুলি খেয়ে। এমনটাই জানিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

গাজার দক্ষিণে খান ইউনিসের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও রাফাহের উত্তর-পশ্চিমে দুটি আলাদা স্থানে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে গাজার সিভিল ডিফেন্স সংস্থা। তারা এই প্রাণহানির পেছনে ইসরায়েলি হামলাকে দায়ী করেছেন।

মোহাম্মদ আল-খালিদি নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী আল জাজিরাকে বলেন, “তারা ইচ্ছা করে গুলি চালিয়েছে। একদিকে জিপ আর অন্যদিকে ট্যাংক আসতে দেখে আমরা পালাতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তারা গুলি শুরু করে।”

আরেক প্রত্যক্ষদর্শী মোহাম্মদ আল-বারবারি তার চাচাতো ভাইকে হারিয়েছেন। তিনি বলেন, “এই কেন্দ্রগুলো আসলে মৃত্যু ফাঁদ। মানুষ শুধু একটু খাবারের আশায় আসে, কিন্তু ফিরে যায় লাশ হয়ে।”

আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট ফেডারেশনের মহাসচিব জগন চাপাগাইন বলেন, “গাজায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। কাউকে যেন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এক মুঠো খাবার সংগ্রহ করতে না হয়।”

গাজার বাজারগুলোতে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নেই, আর খাদ্যদ্রব্যের দাম এতটাই বেড়ে গেছে যে ২৩ লাখ মানুষের পক্ষে দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদা পূরণ করা অসম্ভব হয়ে উঠেছে।

Editor’s Panel/Disha



আরো সংবাদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

জনপ্রিয় সংবাদ

Recent Comments