বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাকের তৃতীয় ও শেষ জানাজা রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি রোববার বিকেল ৪ টা ১০ মিনিটে রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার (৫ মে) জোহরের নামাজের পর জানাজায় ইমামতি করেন, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম।
জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা করেন, জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের ও ব্যারিস্টার রাজ্জাকের ছেলে ব্যারিস্টার এহসান আব্দুল্লাহ সিদ্দিক। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান। রোববার (৪ মে) রাতে ধানমন্ডিতে তাকওয়া মসজিদের তার প্রথম জানাজা এবং সোমবার (৫ মে) বেলা এগারোটার পর সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল, সেক্রেটারি ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের, ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, ব্যারিস্টার শিশির মনির, ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী, শিবির সভাপতি জাহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং ব্যারিস্টার রাজ্জাকের পরিবারের সদস্য ও শুভাকাঙ্খীরা।
উল্লেখ্য, ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক ১৯৪৯ সালে সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার শেখলাল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৬ সালে তিনি দেশে ফিরে আইন পেশায় যুক্ত হন। সাংবিধানিক আইন ও ফৌজদারি আইনের তার অসামান্য দক্ষতার কারণে তিনি দেশ-বিদেশে সমাদৃত ছিলেন।
Editor’s panel/Nasir


