বরিশাল নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য ৬ দফা দাবিতে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন। জানা গেছে, শিক্ষক ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কর্তৃক শিক্ষার্থীদের মারধরের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করছেন তারা। বুধবার (৭ মে) সকাল ৯টা থেকে কলেজটির সামনে এ কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীরা।
এর আগে গত মঙ্গলবার কর্মসূচি পালন করতে গেলে শিক্ষকদের বাধার মুখে পড়ার অভিযোগ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগসহ ছয় দফা দাবি জানাচ্ছিলেন তারা। শিক্ষক ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েটরা শিক্ষার্থীদের মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়। এতে ৪ শিক্ষার্থী আহত হন। পরে এর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা রাতে ক্যাম্পাসে মশাল মিছিল করেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, অনির্দিষ্টকালের জন্য কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন চলছে। মারধরের ঘটনার প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। দাবি না মানা এবং মারধরের ঘটনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান তারা। তবে শিক্ষার্থীদের এ অভিযোগ মানতে নারাজ শিক্ষকরা। তারা বরিশাল নার্সিং কলেজে পোস্ট বেসিক বিএসসি নার্সিংয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর বেসিক বিএসসি ছাত্র-ছাত্রীদের হামলার অভিযোগ তোলেন।
ওই ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার সকালে পোস্ট বেসিক বিএসসি নার্সিং ও পাবলিক হেলথ নার্সিংয়ের সব ছাত্র-ছাত্রীর ব্যানারে বরিশাল নার্সিং কলেজ প্রাঙ্গণে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে হাসান জোমাদ্দার, শারমিন ইশরাত, তৃপ্তি রানী ঘরামিসহ পোস্ট বেসিক বিএসসি নার্সিংয়ের শিক্ষার্থীরা বক্তৃতা করেন।
এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আমরা পোস্ট বেসিক বিএসসি নার্সিংয়ের শিক্ষার্থীরা চাকরির পাশাপাশি বরিশাল নার্সিং কলেজে পড়াশোনা করছি। বেসিক বিএসসি ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। তবে মঙ্গলবার সকালে আমরা যথানিয়মে ক্লাসে যেতে চাইলে দেখতে পাই বেসিক বিএসসি ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের কর্মসূচির সূত্র ধরে নার্সিং কলেজের গেট আটকে রেখেছে।
তারা আরও বলেন, ‘বরিশাল নার্সিং কলেজে বেসিক বিএসসি নার্সিংয়ে ৪০০ শিক্ষার্থী রয়েছে। পক্ষান্তরে পোস্ট বেসিক বিএসসি নার্সিংয়ে আমরা ৬০ জনের মতো শিক্ষার্থী। এত সংখ্যক শিক্ষার্থীর ওপর আমাদের পক্ষে হামলা করা সম্ভব নয়।’
Editor’s Panel/Nasir


