ফিটনেস ধরে রাখা মানেই যে ভারোত্তোলন বা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যায়াম করতে হবে, তা নয়। প্রতিদিনকার জীবনেই এমন কিছু অভ্যাস গড়ে তোলা সম্ভব যা শরীরকে সচল ও সুস্থ রাখে। যেমন-অফিসে যাওয়ার সময় বাসা থেকে সামান্য আগে বেরিয়ে কিছুটা পথ হেঁটে যাওয়া, কিংবা বাজারে গিয়ে পণ্য কেনার সময় রিকশা না নিয়ে হেঁটেই বাসায় ফেরা, এই অভ্যাসগুলো শরীরের উপকারি।
এ ছাড়া বাসার কাজেও রয়েছে ব্যায়ামের ছোঁয়া। ঝাঁড়-মোচ দেওয়া, কাপড় ধোয়া, বাসন মাজা সব কাজেই শরীর নড়াচড়া করে এবং ক্যালোরি খরচ হয়। অনেকে এসব কাজকে অবহেলা করেন, কিন্তু একটু সচেতন হলেই দেখা যায় এসবই ছোট ব্যায়ামের মতো। যেমন রান্নার সময় দাঁড়িয়ে কিছু হালকা স্ট্রেচিং করা। এমনকি মোবাইলে কথা বলার সময় বসে না থেকে হাঁটাহাঁটি করা ইত্যাদী।
আর খাবার-দাবার নিয়ন্ত্রণ করাও ফিটনেস রক্ষার বড় অংশ। প্রতিদিন একটু বাড়তি খেয়েই শরীরে মেদ জমতে শুরু করে। তাই বাইরে খাওয়ার প্রবণতা কমানো, চিনি ও তেলযুক্ত খাবার কমিয়ে ফ্রেশ ফলমূল ও শাক-সবজির দিকে ঝুঁকে পড়া দরকার। অনেক সময় কাজের চাপে পানি খাওয়ার কথাও ভুলে যান অনেকে, অথচ পর্যাপ্ত পানি শরীরের ক্লান্তিভাব দূর করে।
অপরদিকে, আরেকটি উপেক্ষিত দিক হলো ঘুম। শরীরকে ঠিকভাবে বিশ্রাম না দিলে, তার কর্মক্ষমতাও কমে যায়। গভীর ও টানা ঘুম শরীর ও মন দুয়োকেই চাঙ্গা করে তোলে। চিকিৎসকগণ বলে থাকেন দিনে অন্তত ৬ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমানো জরুরী। রাতে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে, সকালে উঠে ক্লান্ত লাগে এবং সারাদিন চলে ধীরগতিতে।
Editor’s Panel/Nasir


